
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বরের মতো। যে কাউকে দেখাতে পারেন — সেখানেই টাকা আসে। এতে আপনি কে বলা নেই: ব্লকচেইনে «নাম» ফিল্ডই নেই।

এটা আপনার স্বাক্ষর। অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড নয় — আসল স্বাক্ষর: যার কাছে কী, সেই ঠিকানার কয়েন নিয়ন্ত্রণ করে। প্রাইভেট কী কোথায় থাকে? শুধু আপনার কাছে; আমাদের দেখানো হয় না, আমাদের কাছেও নেই।

এটা একটা নির্দেশ: «ঠিকানা A থেকে ঠিকানা B-তে এতটা পাঠাও।» স্বাক্ষর ছাড়া এটার কোনো মূল্য নেই। নেটওয়ার্ক শুধু স্বাক্ষরিতটাই নেয়।
প্রতি ধাপে আগে সহজ ভাষা, তারপর এক লাইন «ভিতরে কী হয়» প্রযুক্তিসহ। নতুনরা সেটা এড়িয়ে যান; টেকনিশিয়ান শুধু সেটাই পড়েন। সব ওয়ালেট ও ব্যাকএন্ড কোডের সাথে মিলিয়ে — অনুমান নয়।
ওয়ালেটের তালিকা খুলে যেখান থেকে টাকা যাবে সেটা বাছুন। এখানে গোপন কিছু হয় না: অ্যাপ শুধু ঠিকানার স্ট্রিং নেয়।
আপনার ঠিকানা কোথায় থাকে। রেজিস্ট্রেশন ছাড়া — শুধু আপনার ডিভাইসে, ব্রাউজার বা অ্যাপের লোকাল স্টোরেজে, ব্যালেন্স ও সেটিংসের পাশে। কোনো ঠিকানা আমাদের কাছে যায় না: আমরা জানিও না আপনি আছেন। অ্যাকাউন্ট খুললে (ইমেইল, Google বা Apple) — সার্ভারে যায় শুধু ঠিকানা, যাতে ফোন ও কম্পিউটারে তালিকা মিলে। প্রাইভেট কী অ্যাকাউন্টে যায় না: কোডে তার জন্য কোনো ফিল্ডই নেই।

প্রাপকের ঠিকানা পেস্ট করতে পারেন, QR স্ক্যান করতে পারেন, বা অ্যাড্রেস বুক থেকে নিতে পারেন। বইটা আপনার নিজের পাঠানোর ইতিহাস থেকে: অ্যাপ এই নেটওয়ার্কে আপনার ঠিকানা পাঠায় আর ফেরত পায় যাদের আপনি আগে পাঠিয়েছেন। আমরা «কন্টাক্ট» সংগ্রহ করি না, ফোনের কন্টাক্টে অ্যাক্সেসও চাই না।
নাম ও ফেভারিট শুধু আপনার কাছে। «মা» বা «সাপ্লায়ার»-এর মতো লেবেল ও পিন করা ঠিকানা ডিভাইসের লোকাল স্টোরেজে থাকে — সার্ভারে নেই। টাইপ করার সময় ওয়ালেট নেটওয়ার্কের নিয়ম মেনে ঠিকানা চেক করে: দৈর্ঘ্য, ফরম্যাট, চেকসাম। ভুল অক্ষর ইনপুট ফিল্ড পেরোয় না।

ক্রিপ্টোর নেটওয়ার্ক ফি স্থির নয়: ব্��কে অন্তর্ভুক্ত করতে নেটওয়ার্ককে দিতে হয়। সৎ সংখ্যা দেখাতে নেটওয়ার্ককে জিজ্ঞেস করতে হয়। বাইরে যায় আপনার ঠিকানা, প্রাপকের ঠিকানা ও অ্যামাউন্ট। কী নেই, স্বাক্ষর নেই — টাকা সরানোর কিছুই নেই।
কেন এটা নিরাপদ। এটা পড়া, কাজ নয়: «এখন পাঠাতে কত লাগে» জিজ্ঞেস করা বিমানের বোর্ড দেখার মতো। কোনো পড়া কয়েন কাটে না: খরচ হয় শুধু স্বাক্ষরে।
তিন গতি। আপনি বাছুন: ধীর ও সস্তা, নাকি দ্রুত ও দামি। এটা আমাদের মার্কআপ নয় — ফি পুরোটা যায় মাইনার ও ভ্যালিডেটরদের। Mitilena পাঠানোর জন্য কিছু নেয় না।

ওয়ালেট পুরো নির্দেশ জোড়ে: কোথা থেকে, কোথায়, কত, ফি ও ক্রমিক নম্বর। প্রতি ঠিকানার আউটগোয়িং পেমেন্ট কাউন্টার আছে — nonce। একই ট্রানজেকশন দুবার না চালাতে ও পেমেন্ট ক্রম রাখতে এটা লাগে। নেটওয়ার্কের বর্তমান মান জিজ্ঞেস করি, মেমপুলে ঝুলে থাকা পাঠানোসহ।
খসড়া এখনো টাকা নয়। এই ধাপে শুধু নির্দেশের লেখা। স্বাক্ষর ছাড়া এর কোনো মূল্য নেই: নেটওয়ার্ক নেবে না, যেমন ব্যাংক স্বাক্ষরবিহীন পেমেন্ট অর্ডার নেয় না। হারালে, দেখালে, ফেললেও — ব্যালেন্স বদলায় না।

পুরো প্রবাহের মূল মুহূর্ত। ওয়ালেট খসড়া ও আপনার কী নিয়ে স্বাক্ষর হিসাব করে — এখানেই, অ্যাপ বা ব্রাউজার ট্যাবে। কী চারভাবে আসতে পারে, চারটাই শেষ হয় আপনার ডিভাইসে:
সঠিক কী কিনা চেক। পাঠানোর আগে ওয়ালেট দেওয়া কী থেকে ঠিকানা বের করে প্রেরকের ঠিকানার সাথে মেলায়। না মিললে — পাঠানো যায় না, আর দেখেন «Wrong private key»। স্বাক্ষর হলো ট্রানজেকশনের লেখা ও কী-র উপর গণিত: স্বাক্ষর থেকে কী ফেরত পাওয়া যায় না, আর এটা ঠিক এক ট্রানজেকশনের জন্য। অ্যামাউন্ট বা প্রাপক এক অক্ষর বদলালেই — স্বাক্ষর মিলে না।
PIN দিয়ে সেভ — সৎ কথা। কী আপনার ডিভাইসে এনক্রিপ্ট হয়ে লোকাল স্টোরেজে থাকে। PIN ৬ থেকে ১২ অক্ষর; ইমোজি চলে। আমরা এই PIN জানি না, ফিরিয়ে দিতেও পারি না: এটা শুধু আপনার মাথায়।



স্বাক্ষর তৈরি। এখন ওয়ালেট আমাদের স্বাক্ষরিত ট্রানজেকশন পাঠায় — আর কিছু নয়। এক স্ট্রিংয়েই থাকে: কোথা থেকে, কোথায়, কত, ফি, ক্রমিক নম্বর ও স্বাক্ষর। কিছু বদলানো অসম্ভব — স্বাক্ষর অচল হয়ে নেটওয়ার্ক ফিরিয়ে দেবে। আমরা অ্যামাউন্ট বদলাতে, প্রাপক বদলাতে বা দ্বিতীয়বার পাঠাতে পারি না।
সার্ভার কী করে। ঠিক একটা কাজ: নেটওয়ার্ক নোড দিয়ে খাম ব্লকচেইনে দেয় আর হ্যাশ ফেরত দেয় — যে আইডি যেকোনো এক্সপ্লোরারে খুঁজে পাবেন। যে পোস্টম্যান চিঠি খুলতে পারে না। স্বাক্ষরিত ট্রানজেকশন Mitilena-র সাথে বাঁধা নয়: সেই নেটওয়ার্কের যেকোনো নোড নেবে। কাল আমাদের সার্ভার উধাও হলেও কয়েন আপনারই — কী তো আপনার কাছে।

সফল পাঠানোর পর ওয়ালেট ছোট রেকর্ড রাখে যাতে ইতিহাস ও অ্যাড্রেস বুক চলে। রেকর্ডে: নেটওয়ার্ক, কয়েন, অ্যামাউন্ট, প্রেরকের ঠিকানা, প্রাপকের ঠিকানা, হ্যাশ, পাঠানোর মুহূর্তের রেট ও তারিখ। প্লাস ট্র্যাকিং-লিংক কোড যা প্রাপককে দিয়ে স্ট্যাটাস দেখাতে পারেন।
রেকর্ডে যা নেই: আপনার নাম, ইমেইল, IP ঠিকানা বা ইউজার আইডি। সারি বাঁধা মানুষের সাথে নয়, ব্লকচেইনেই পাবলিক ঠিকানার সাথে। তাই একে অ্যানোনিমাইজড বলি। Mitilena Air দিয়ে অফলাইন স্বাক্ষরে অনলাইন অংশ পাঠানোর কিছু রাখে না: শুধু তৈরি খাম দেখে।
ওয়ালেট কি ক্রিপ্টো চুরি করতে পারে? না: খরচের জন্য স্বাক্ষর লাগে, স্বাক্ষরের জন্য কী। আমাদের কাছে কী নেই; কোনো ধাপেই পাঠানো হয় না।
স্বাক্ষরিত ট্রানজেকশন নেটওয়ার্কে যায় ও তার নিয়মে চলে। «আনডু» বাটন নেই — আমাদেরও নেই, অন্য কারওও নেই।
ঠিকানা স্বাক্ষরিত খামে বসানো। কোনো এডিট স্বাক্ষর অচল করে।
এগুলো আমাদের সার্ভারে নেই। অসুবিধা — আর এটাই গ্যারান্টি।
ডাটাবেসে এটা ঠিকানার সাথে বাঁধা, পরিচয়ের সাথে নয়।
আপনার ঠিকানা, অ্যামাউন্ট ও পাঠানোর সময় সবাই চিরকাল দেখতে পারে। প্রাইভেসি ওয়ালেট থেকে নয় — ঠিকানায় সতর্কতা থেকে, বা Monero-র মতো নেটওয়ার্ক থেকে।
কেউ, আমরাসহ, ফিরিয়ে দেবে না। দুই জায়গায় রাখুন, ভালো হয় অফলাইনে।
স্বাক্ষর হয় যেখানে আপনি শুরু করেন। ফোনের ভাইরাস যেকোনো সার্ভার ফুটো থেকে বিপজ্জনক; বড় অ্যামাউন্টে NFC কার্ড ও অফলাইন স্বাক্ষর আছে।
ব্যালেন্স দেখাতে লাগে। শুধু পড়ে; খরচ করতে পারে না — কিন্তু আগে জানা ভালো।
হ্যাঁ, যদি সার্ভারের ভূমিকা বোঝেন: নেটওয়ার্কের কাছে ফি ও ক্রমিক নম্বর জিজ্ঞেস, রেট নেওয়া, তৈরি খাম এগিয়ে দেওয়া। সব পাবলিক কাজ; কী লাগে না। কিছু নোড আমরা নিজেরা রাখি যাতে তৃতীয় পক্ষের উপর নির্ভ�� না করতে হয়।
যে কেউ যেকোনো ঠিকানার ব্যালেন্স দেখতে পারে — ব্লকচেইনের খোলা রেকর্ড। প্রশ্ন শুধু ঠিকানা আপনার সাথে বাঁধা কিনা। রেজিস্ট্রেশন ছাড়া আমরা আপনার ঠিকানার তালিকাও জানি না: সেটা আপনার ডিভাইসে।
ঠিকানা স্বাক্ষরের ভিতরে যায়। স্বাক্ষরের পর বদলালে — স্বাক্ষর অচল, নেটওয়ার্ক ফিরিয়ে দেয়। স্বাক্ষরের আগে ঠিকানা স্ক্রিনে: শেষ অক্ষরগুলো মিলিয়ে নিন — ক্রিপ্টোর আজীবন অভ্যাস।
ব্লকের জায়গার নিলাম। নেটওয়ার্ক ব্যস্ত হলে জায়গা দামি। আমরা সেই মুহূর্তে নেটওয়ার্ক যা বলে তা দেখাই, গতি আপনি বাছুন।
সেটা ইতিমধ্যে নেটওয়ার্কে — হ্যাশ আছে, এক্সপ্লোরারে দেখা যায়। EVM-এ আটকে থাকা পাঠানো বদলানো যায়: একই ক্রমিক নম্বর ও বেশি ফি দিয়ে নতুনটা পাঠান।
আপনার ঠিকানা থেকে পেমেন্টের ক্রমিক নম্বর। প্রথম পাঠানো শূন্য, দ্বিতীয় এক, এভাবে চলে। একই পেমেন্ট দুবার যেতে দেয় না।
এক্সচেঞ্জে কয়েন কোম্পানির অ্যাকাউন্টে থাকে আর আপনি তাদের ডাটাবেসের এক সারি: ফ্রিজ করতে, ডকুমেন্ট চাইতে, উত্তোলন সীমিত করতে পারে। এখান��� কয়েন আপনার ব্লকচেইন ঠিকানায়, কী আপনার কাছে।
কয়েন ব্লকচেইনেই থাকে। নতুন ডিভাইসে ওয়ালেট বসিয়ে সেভ করা কী দিলেই — সব আছে। কী ছাড়া কেউ সাহায্য করতে পারে না।